তুমি কি আমার পাছা মারার স্বামী হবে

ফেসবুকেউত্তরার এক সুন্দরি ভাবীরসাথে পরিচয় প্রায় একবছর আগে থেকে।উনার স্বামী উত্তরার একপ্রাইভেট ইউনিভার্সিটির টিচার। উনিফেসবুকে আসলেই আমরা চটিগল্প আর ভিবিন্ন খারাপ ছবি নিয়ে আলাপ আলোচনাকরি। গত সোম বার সকালবেলা ভাবী আমাকে বল্লতুই কি চটি৬৯এর পাছা দিয়ে মারারগল্পটি পড়েছিস? আমিবললাম না ভাবী।ভাবী বল্ল সমস্যা নেইআমি লিঙ্ক পাঠিয়েদিচ্ছি তুই এখুনি পড়েআমাকে রেস্পন্স কর। আমিবললাম ঠিক আছে ভাবীএখুনি পড়ে আমি আপনারসাথে এ নিয়ে আলাপআলোচনা করছি। আমিতাঁরাতারি গল্প টিপড়ে ভাবীকে বল্লাম আমিগল্পটি পরেছি, কিন্তু ভাবীপ্রথমে আমি জানতে চাই গল্পটি পড়ে আপানার অনুভুতিকি ? ভাবী বল্ল, গল্পটি পড়েআমার অনেক দিনের শখপাছা দিয়ে মারানুর কথা মনে পরেগেল। আমারস্বামী রাসেল শুধু ভোদায়ইমারে কিন্তু আমার পাছায়যে কত কাম জমেআছে তা তোকে বলেবোঝাতে পারব না

আজ রাত হবে শুধু চুদার জন্যে

তখন সজলপুর থানাতেই ডিটেক্টিভ এর কাজটা নিয়েছিলাম। ছোট থানা। কাজ নাই। এলাকায় অপরাধও কম। থাকলেও ও, সি, সাহেব সব মিটমাট করে ফেলে। আমার মতো ডিটেক্টিভ এর খুব একটা দরকার হয়না। কেনো যে এত মোটা বেতনে এমন একটা ছোট থানায় ডিটেক্টিভ করে আমাকে পাঠালো, নিজেও বুঝিনা। ডিটেক্টিভ অফিসার এর কারনেই, বাস ভবনটাও একটু আলাদা ধরনের। ও, সি, সাহেব থানা সংলগ্ন সরকারী বাস ভবনে বাস করলেও, আমাকে বসবাস করতে হয়, প্রায় চার কিলোমিটার দূরে, সাধরন একটা আবাসিক এলাকায়। সাইকেলে অফিস যাতায়াত। অফিসে কাজ না থাকলেও আসতে হয় বাধ্য হয়ে। একবার এলে আর চার কিলোমিটার পথ সাইকেল চালিয়ে ফিরতে ইচ্ছে করে না। ও, সি, সাহেব আটটা পাঁচটার বেশী অফিস করে না। বাকী সময়টা আমিই ও, সি, সাহেবের ফাইলগুলো দেখি। নুতন একটা ডায়েরী হয়েছে

তপ্ত দুপুরে চাচিকে চুদলাম

কোনদিন চাচী`র দরজায় টোকা দেই নি, আজকেও দিলাম না, ঠেলা দিয়ে হুরমুর করে ঢুকে পড়লাম। সদ্য বাহির থেকে ফিরেছেন, ব্লাউজ ছেড়েছেন ঠিক ই, ব্রা খোলার সময় পাননি। দরজার শব্দেই জাপটে ধরলেন বুকের উপর, পাতলা শাড়ি`র নিচে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে কালো ব্রা`র ফিতা। জড়ানো গলায় বললেন, `কী রে তুই এলি কখন?` উত্তর দেয়ার ইচ্ছে করল না, তাছাড়া কাঁচা ঘুম ভাঙ্গা’র বিরক্তি তো আছেই। “তোর মা-বাপ কেউ আসেনি?” “আব্বা আসছে, চাচা’র সাথে কই গেল।” “হ…….মামলা-মোকদ্দমা কী নাকি আছে।” আমি চুপ করে রইলাম, চাচা’র বাসায় আসা খুব যে এনজয় করি তা না, বরং বিরক্তি লাগে যখন কাঠফাটা রোদের মধ্যে এতদূর হাঁটতে হয়। তবে এতদূর গ্রামে আসাটা ঠিক স্বত:প্রবৃত্ত নয়, প্রতি বছরই আব্বা’র মামলা মোকদ্দমা’র কোনও কাজ থাকে, আব্বা দু’চারদিনের অফিস ফেলে চলে আসেন। “দুপুরে ভাত খেয়েছিস, জলি কিছু দিছে?”